বাংলাদেশি শ্রমিকদের সৌদি আরব পাঠাতে সরকারের শ্রম মন্ত্রণালয় নতুন ৫টি নির্দেশনা ও আইন প্রস্তুত করছে। যা আগামী বছর থেকে বাস্তবায়ন শুরু হবে।

এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সময় বাঁচিয়ে সৌদি আরবে গৃহ শ্রমিক নিয়োগ করা, যোগ্যদের কাজের নিশ্চয়তা দেওয়া, দালালদের পরিহার করা, চুক্তির মেয়াদ শেষ না হলে দেশে ফেরত না আসা।

এছাড়া এ আইনের মাধ্যমে সৌদি আরবে গৃহশ্রমিকদের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সব পক্ষের অধিকার সুরক্ষা করা সম্ভব হবে।

জেদ্দায় নিয়োজিত বাংলাদেশি কনস্যুলের একটি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের শ্রম মন্ত্রণালয় গৃহশ্রমিকদের সৌদি পাঠাতে তালিকা তৈরি থেকে শুরু করে আইন প্রস্তুতকরণের কাজ করছে। এক সপ্তাহের মধ্যে মেডিকেল প্রতিবেদন ও এক থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সিকিউরিটি সার্টিফিকেট দিতে হবে।

সূত্র আরো জানায়, বাংলাদেশে শ্রমিক নিয়োগের অফিস বাড়ানো হচ্ছে। শ্রমিকদের তত্ত্বাবধানের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রেজিষ্ট্রেশনকারীদের প্রশিক্ষণের সময় ৩০ থেকে ৪৫ দিন বাড়ানো হচ্ছে। যোগ্য শ্রমিকদের রেজিস্ট্রেশন করে তাদের ফলোআপে রাখা ও অযোগ্যদের সৌদিতে নিয়োগ  দেওয়া হবে না।

সৌদি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধীকারী হুসাইন আল হারিথি বলেন, নতুন এই আইনের মাধ্যমে সৌদিতে বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিতে অবদান রাখবে। এছাড়া উভয় পক্ষ এর সুবিধা পাবে। নির্দেশনা অনুসরণ করলে ৩ থেকে ৭ মাস সময় হ্রাস পাবে।

বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগের ফাইল অনেক জটিলতার মধ্যে পরে। এর মধ্যে শ্রমিকদের বিলম্বে আসা, বাংলাদেশি অফিসে চুক্তির খরচ বৃদ্ধি, একজন পুরুষ শ্রমিকের বিপরীতে তিন নারী শ্রমিক পাঠানো, অনেকে পরিবার ছাড়া সৌদি ভ্রমণ করতে অস্বীকৃতি, বেতন কম ইত্যাদি। এতে শ্রমিকদের চাহিদা থাকলেও তাদের নিয়োগের হার কমেছে।

সূত্র: আরব নিউজ, আরটিএনএন

Advertisements