‘ভারতীয় বিদ্রোহী লিগ আইসিএলে খেলার জন্য আমাকে ১৫ কোটি টাকার অফার করা হয়েছিল। কিন্তু আমি সেখানে যাইনি। দেশের সঙ্গে বেঈমানি করিনি। অনেকেই আমাকে ভুল বুঝেছেন, আমি টাকা খেয়ে ম্যাচ পাতিয়েছি। টাকার বিনিময়ে ওই কাজ করিনি। দলের চাপে আমি ম্যাচ ফিক্সিংয়ে অংশ নিয়েছি। পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছিল আমাকে। কিন্তু ওটা করা মোটেও উচিৎ হয়নি। দোষ স্বীকার করে আমি ক্ষমাও চেয়েছি। তবে এটা ঠিক, আমি দেশের সঙ্গে কখনোই বেঈমানি করিনি।’

সম্প্রতি ঢাকাটাইমসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান জনপ্রিয় সাপ্তাহিক এই সময়ের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে (ঈদ সংখ্যায় প্রকাশ হবে) কথাগুলো বলেছেন বিপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কারণে নিষিদ্ধ সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।

প্রসঙ্গত, বিসিবির নির্দেশ অমান্য করে নিতান্তই অর্থের লোভে (২০০৭ সালে) হাবিবুল বাশার সুমনের নেতৃত্বে দেশের ১৪ জন শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটার আইসিসি অনুমোদনহীন ও নিষিদ্ধ ভারতীয় লিগ আইসিএলে খেলতে যান। ফলে সেসময় বড় ধরনের ধাক্কা খায় বাংলাদেশ ক্রিকেট। তবে লোভনীয় অফার পেয়েও সুমনদের সঙ্গে যোগ দেননি আশরাফুল।

আইসিলে খেলতে যাওয়া বাকি ক্রিকেটাররা ছিলেন- আফতাব আহমেদ, অলক কাপালি, ধীমান ঘোষ, ফরহাদ রেজা, গোলাম মাবুদ, মাহাবুবুল করিম, মনজুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ শরীফ, মোশাররফ হোসেন, নাজিমউদ্দিন, শাহরিয়ার নাফীস ও তাপস বৈশ্য। বিসিবি এদের বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করলেও পরে ক্ষমা করে দেয়। বর্তমানে বিসিবির নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হাবিবুল বাশার সুমন।

সূত্র: ঢাকাটাইমস

Advertisements