ঝিনাইদহ সদর উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হওয়া পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলী ওরফে নন্দের বাড়ি ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা পরিদর্শন করেন। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার সময় ভারতীয় দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) রাজেশ উকাইয়া ও কনস্যুলার রমা কান্ত গুপ্ত আনন্দ গোপালের শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানান।

এরপর ভারতীয় দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা নিহতের বাড়িতে থেকে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের অফিসে যান এবং সেখানে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। এসময় তারা ঘটনার তদন্ত অগ্রগতি সম্পর্কে পুলিশের কাছে বিস্তারিত জানতে চান। পুলিশ ভারতীয় কর্মকর্তাদেরকে আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন তথ্য জানায়। এতে ওই কর্মকর্তারা যথেষ্ট সন্তুষ্ট ছিলেন না। তারা এ বিষয়ে পুলিশকে আরো সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন।

ভারতের এমন অসন্তোষ দেখে জেলার পুলিশ কর্মকর্তারা দফায় দফায় বৈঠক করে হত্যাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে কৌশল ঠিক করছেন বলে জানা গেছে।

পুলিশের ওপর চাপ বাড়াতে সংখ্যলঘু নেতাদের সাথে নিয়ে যান ভারতীয় কর্মকর্তারা। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের জয়ন্ত সেন দীপু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি, ঝিনাইদহ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার সমাদ্দার ও পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রেীয় নেতা বাবু কনক কান্তি দাশ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের ঘটনা একটি হত্যায় এভাবে প্রকাশ্যে ভারতীয় দূতাবাস কর্মকতাদের তৎপরতা অনেকের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে যে, তাহলে কি এখন তারা নিজেরাই তদন্তে নেমেছেন?

সূত্র: বিডিটুডে

Advertisements