॥ গাজী মুহাম্মদ শওকত আলী॥
আমরা শোকাহত। একটি ফাঁসি বাংলার নীল আকাশ থেকে ছিটকে গেল একটি ধ্রুব তারা, থমকে গেল বাংলার সবুজ প্রান্তরের দ্যুতি। ‘হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহর জন্য সত্যের সাক্ষী হয়ে দাঁড়াও।’ সূরা আল নিসার ১৩৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালার এই নির্দেশই পালন করছিলেন, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী। প্রত্যক্ষভাবেই তিনি সেই সত্যেরই সাক্ষী ছিলেন। মেধা জ্ঞান ধৈর্য শিষ্টাচার সততা আনুগত্য আর ইসলামী আন্দোলন সংগঠন ও নেতৃত্বের এক অনুপম পাঞ্জেরীর নাম শহীদ মাওলানা নিজামী। সমসাময়িক বিশ্বে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি মুক্ত আর এশিয়া মহাদেশে একমাত্র স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সফল মন্ত্রী ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ময়দানে বক্তৃতার মঞ্চে আলোচনার টেবিলে জ্ঞানগর্ভ যুক্তিপূর্ণ অনুচ্চ কণ্ঠ আর অনলবর্ষী সু-বক্তা হিসেবে সর্বব্যাপী খ্যাতি ছিল তাঁর। জাতীয় সংসদ সদস্য, সংসদীয় দলের নেতা সর্বোপরি একজন সফল মন্ত্রী হিসেবে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন তিনি। তাঁর এই সকল অনুপম গুণ বৈশিষ্ট্যগুলো যুগ যুগ ধরে যে কোনো সৎ ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তি আর ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের অনুপ্রাণিত করবে। ইসলামী আন্দোলনে সফলতার জন্য একজন কর্মীর যেসব গুণ আর বৈশিষ্ট্য থাকা দরকার সে সকল গুণ আর বৈশিষ্ট্যের সমষ্টির নামই শহীদ মাওলানা নিজামী।

মেধা : শহীদ মাওলানা নিজামী ছাত্র জীবনের প্রতিটি স্তরে প্রতিটি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ ও শ্রেণী সহ সর্বোচ্চ মেধা তালিকায় স্থান করে নিয়েছিলেন। ইসলামী শিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা আলীয়া মাদরাসা থেকে কামিলে প্রথম শ্রেণী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামী স্টাডিজে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন তিনি। তাঁর মেধা ও জ্ঞানের গভীরতা সম্পর্কে জানতে হলে তাঁর অসংখ্য ইসলামী সাহিত্যের মধ্য থেকে দু‘একটি অধ্যয়ন করলেই যথেষ্ট হবে। আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূল (সা.) এর ওপর সর্বপ্রথম যে ওহী নাজিল করেছিলেন তা ছিল, ‘ইক্রা বিছমি রাব্বিকাল্লাযি খালাক’ অর্থাৎ (হে নবী!) পাঠ করুন আপনার প্রতিপালকের নামে যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন’। জ্ঞানার্জনের এই নির্দেশ মূলত: রাসূল (স) এর সকল অনুসারী তথা সকল মুসলমানের জন্যই প্রযোজ্য। ইবনে মাজাহ শরীফের হাদীসে হজরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর ওপর জ্ঞান অর্জন করা ফরজ”। এমনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সকল ফরজের বড় ফরজ আদায়ে তিনি ছিলেন প্রথম সারির একজন। ইসলামী আন্দোলনের প্রত্যেকটি কর্মীর কাছে শহীদ মাওলানা নিজামীর মেধা আর জ্ঞান অর্জনের বিষয়টি অবশ্যই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

জ্ঞান : শহীদ মাওলানা নিজামী জ্ঞান অর্জনকে সকল ফরজের বড় একটি ফরজ ইবাদত মনে করেই ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় পর্যন্ত কুরআন তিলাওয়াতে ছিলেন ব্রত। আল্লাহ তায়ালা সূরা আল বাকারার ২৬৯ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করেছেন, ‘তিনি (আল্লাহ) যাকে ইচ্ছা বিশেষ জ্ঞান দান করেন এবং যাকে বিশেষ জ্ঞান দান করা হয়, সে প্রভুত কল্যাণ লাভ করে আর জ্ঞানী লোকেরাই উপদেশ গ্রহণ করে।’ সূরা আল ফাতিরের ২৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘জ্ঞানী লোকেরাই আল্লাহ তায়ালাকে বেশি ভয় করে চলে।’ সূরা মুযাদালাহর ১১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে তাদেরকে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে উচ্চ মর্যাদা দান করা হবে।’ অতএব, আল্লাহ তায়ালাকে জানতে হলে, দুনিয়ায় কল্যাণ লাভ করতে হলে আর আল্লাহ তায়ালার নিকট উচ্চ মর্যাদা পেতে হলে অবশ্যই জ্ঞান অর্জন করতে হবে। তিনি যথার্থভাবেই মুসলমান হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। হজরত হাসান বসরী (র.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, ইসলামকে পুনরুজ্জীবিত ও প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি দ্বীনি ইলম অন্বেষণে ব্যাপৃত থাকে এবং ঐ অবস্থায়ই তার মৃত্যু এসে যায়, তাহলে জান্নাতে তার এবং নবীদের মাঝে একটি ধাপই ব্যবধান থাকবে। শহীদ মাওলানা নিজামী অবশ্যই রাসূল (সা.) এর বর্ণিত হাদিসের মর্যাদার অধিকারী আর তাঁর জ্ঞানের দ্যুতি ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জন্য পাঞ্জেরী হয়ে থাকবে চিরকাল।

ধৈর্য : সূরা বাকারার ১৫৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেছেন, ‘আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি আর ফল ও ফসলের ক্ষতির মাধ্যমে; নিশ্চয়ই যারা ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহ তায়ালা তাদের সাথে রয়েছেন।’ হজরত আবু হুরায়রাহ (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা জনৈক ব্যক্তি রাসূল (সা.) এর নিকট নিবেদন করলেন, হুজুর আমাকে উপদেশ দান করুন; রাসূল (সা.) বললেন, তুমি রাগ করবে না, লোকটি বার বার একই আরজ করছিলেন এবং রাসূল (সা.) একই উপদেশ দিচ্ছিলেন যে, তুমি কখনো রাগ করবে না।’ যারা শহীদ মাওলানা নিজামীকে দেখেছেন তাঁর সাথে মিশেছেন প্রত্যেকেই স্বীকার করবেন যে, ধৈর্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত, রাগ কাকে বলে তিনি যেন তা জানতেনই না !

শিষ্টাচার : শহীদ মাওলানা নিজামী ছিলেন শিষ্টাচারের অনন্য উদাহরণ। তাঁর ন¤্রতা ভদ্রতা আর শিষ্টাচার সম্পর্কে তাঁর চরম শত্রুও কোন প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারেনি। মিথ্যা দিয়ে সাজানো মামলা সাক্ষী প্রসিকিউটর আর যে ট্রাইব্যুনালের রায়ে মাওলানা নিজামী শাহাদাত বরণ করলেন সে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরও অকপটে স্বীকার করেছেন যে, মাওলানা নিজামী ও মুজাহীদ ট্রাইব্যুনালে সর্বদা শিষ্টাচার বজায় রেখেছেন। তাঁরা সব সময় ট্রাইব্যুনালসহ সকলের সাথে নমনীয় ও ভদ্র আচরণ করেছেন। তাছাড়াও ৮ম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তাঁর অনুপম বক্তব্য বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ‘উসওয়াতুল হাসানা’ হিসেবে আল্লাহর রাসূল(সা.)কে আমরা দেখিনি। আমরা যতটুকু শুনেছি বা জেনেছি আল্লাহর রাসূলের ‘উসওয়াতুল হাসানা’ র সেসব গুণ তাঁর মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে ছিল।

সততা : যারা শহীদ মাওলানা নিজামীকে চিনতেন, জানতেন এমন অনেকেই তার ফাঁসির দণ্ড কার্যকরের পর দুঃখ ভারাক্রান্ত ও আবেগাপ্লুতভাবেই প্রশ্ন রেখেছেন সৎ মানুষ হলে লাভ কি? পৃথিবীতে তো আর সততার কোন মূল্য নেই ! তিনি শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসেই নয় বর্তমান বিশ্বের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি মুক্ত আর সততার এক অনুপম উজ্জল দৃষ্টান্ত। ১/১১ ফখরুদ্দিন মঈন ইউ আহমদের অবৈধ সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে তৎকালীন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল শহীদ আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা করেছিল। তাঁরা সে সময় সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে বলেছিলেন যে, ‘দুই টাকার দুর্নীতিও যদি প্রমাণ করতে পারে তা হলে আজীবনের জন্য রাজনীতি ছেড়ে দেবো আর যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নেবো।’ সে সময় সরকার তাদের বিরুদ্ধে একটাকারও দুর্নীতি প্রমাণ করতে পারেনি। বরং তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়ে মুক্তি দিতে হয়েছিল।

বর্তমান বিশ্বে যেখানে সৎ ন্যায়-নিষ্ঠাবান, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি মুক্ত আদর্শিক যোগ্য ও মেধাবী রাজনৈতিক নেতার আর নেতৃত্বের যথেষ্ট অভাব রয়েছে, সেখানে মাওলানা নিজামীর মতো ব্যক্তিকে জাতীয় পুরস্কারের পরিবর্তে হত্যা করা সততাকেই হত্যা করার নামান্তর।

আনুগত্য : ‘হে ঈমানদারগণ ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর ও রাসূলের আনুগত্য কর আর তোমাদের মধ্য থেকে উলিল আমরের আনুগত্য কর।’ সূরা আন নিসার ৫৯ নম্বর আয়াতের বাস্তব উদাহরণ ছিলেন শহীদ মাওলানা নিজামী। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যের ব্যাপারে শহীদ মাওলানা নিজামীর চাল চলন বলন আচার আচরণই সাক্ষ্য বহন করেছে। আল্লাহর ভয় না থাকলে বা আখিরাতে জবাবদিহিতার অনুভূতি না থাকলে কেউ সৎ থাকতে পারে না। তাঁর সততাই প্রমাণ করে তিনি আল্লাহ ও রাসূল (সা.) এর প্রতি কতটা আনুগত্যশীল ছিলেন। তাছাড়াও তিনি ‘উলিল আমরের’ প্রতি আনুগত্যশীল হওয়ার কারণেই এশিয়ার বৃহত্তর ইসলামী আন্দোলন জামায়াতে ইসলামীর আমীর নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বিশ্বের সর্ববৃহৎ ছাত্র আন্দোলন ‘ইসলামী ছাত্র সংঘের’ নাযেমে আ’লা বা কেন্দ্রীয় সভাপতি। আনুগত্যের সবগুলো স্তর অতিক্রম করেই তিনি এখানে পৌঁছেছিলেন।

ইসলামী আন্দোলন : ‘তিনিই সেই মহান সত্তা যিনি তাঁর রাসূলকে হেদায়াতের সঠিক বিধানসহ পাঠিয়েছেন, যেন রাসূল সে বিধান অন্য সকল বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠা করেন।’ আল কুরআনের সূরা আত তাওবা ৩৩, সূরা আল ফাত্র ২৮ ও সূরা আস সফ এর ৯ নম্বর আয়াতের ঘোষণা অনুযায়ী রাসূল (সা.) এ দায়িত্ব যথাযথভাবেই পালন করেছিলেন। যার সার্টিফিকেট স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা সূরা আল মায়েদার ৩ নম্বর আয়াতের মাধ্যমে দিয়ে দিয়েছেন, ‘আজ আমি তোমাদের জন্য আমার দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামতকে সম্পূর্ণ করলাম আর ইসলামকে তোমাদের জন্য আমার মনোনীত দ্বীন হিসেবে নির্ধারণ করে দিলাম।’

শহীদ মাওলানা নিজামী আল্লাহর আনুগত্যের নিদর্শন আর রাসূল (সা.) এর সুন্নাহ অনুযায়ী ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে তাঁর জীবনের লক্ষ্য স্থির করে নিয়েছিলেন। যার মাধ্যমে তিনি ইসলামী আন্দোলনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে পেরেছিলেন। ইসলামী আন্দোলনের একজন কর্মীর প্রত্যাশা থাকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুনিয়ায় শান্তি আর আখিরাতে মুক্তি। শহীদ মাওলানা নিজামী তাঁর চেষ্টার মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে দুনিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে না পারলেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে আখিরাতে মুক্তির পথকে সুগম করে গেছেন। যুগ যুগ ধরে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদেরকে তাঁর কর্মময় জীবন ও শাহাদাত অবশ্যই প্রেরণা যোগাবে।

সংগঠন ও নেতৃত্ব : ১৯৪৩ সালের ৩১ মার্চ পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার মনমথপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করা শহীদ মাওলানা নিজামী স্থানীয় বোয়ালমারী মাদরাসায় শিক্ষা জীবন শুরু করেন। ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা আলীয়া মাদরাসায় ভর্তি হন আর তখনই তিনি ইসলামী আদর্শের পতাকাবাহী ছাত্র সংগঠন তৎকালীন ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত হন। তিনি ছিলেন একজন সফল সংগঠক। ১৯৬৩ সালে ঢাকা আলীয়া মাদরাসা থেকে কামিল পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী স্টাডিজের ছাত্র থাকা অবস্থায় ১৯৬৬ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরী অতঃপর ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত ছাত্র সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়ার শাসনামলে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা লগ্নে শহীদ মাওলানা নিজামী অকান্ত পরিশ্রম করে জামায়াতে ইসলামীকে পুনর্গঠন করেন। তিনি ১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত ঢাকা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আর ১৯৮৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০০ সাল থেকে শাহাদাতবরণের সময় (১১ মে ২০১৬) পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীরের দায়িত্বে ছিলেন। শহীদ মাওলানা নিজামীর নেতৃত্বে জামায়াতে ইসলামী আজ বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ ইসলামী দল আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় বৃহত্তর রাজনৈতিক শক্তি। শহীদ মাওলানা নিজামীর গতিশীল নেতৃত্বের পথ ধরে আর তাঁর শাহাদাতের বিনিময়ে বাংলাদেশের জনগণের আশা আকাক্সার প্রতীক তৃতীয় শক্তি হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে দেখা যাবে ইনশাআল্লাহ।

ছবি: বাঁশেরকেল্লা, সূত্র: সোনার বাংলা

Advertisements