image_78561_0গত ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গড়ে ৫৯ দশমিক ১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে দাবি করেছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ। এ নির্বাচনে ৬৩টি উপজেলায় জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা এবং ৩৮ জায়গায় ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

তবে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এ নির্বাচনে ৬২ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে।

ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের হিসেবে ৪০টি কেন্দ্রে দেখা গেছে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা নিরাপত্তাবাহিনী কোনো না কোনোভাবে প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। ২০টি কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ভোট গণনার সময় ২৯টি কেন্দ্রে সহিংসতা ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে ২৭টি ব্যালট বাক্সে নিরাপত্তা সিল যথাযথভাবে লাগানো ছিল না।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে শনিবার সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের পরিচালক মো. আব্দুল আলিম।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, প্রথম পর্বের উপজেলা নিবার্চনে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ ৭ বিভাগ থেকে বাছাইকৃত ২৫টি উপজেলায় ২০৩৫ জন পর্যবেক্ষকের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পরিচালক বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী ভোটারদের ভয় দেখানোর কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

সংগঠনের পরিচালক মো. আব্দুল আলিম বলেন, ‘মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর ও সাটুরিয়া এবং বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের চারজন পর্যবেক্ষককে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা ও হয়রানি করা হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে সংগঠনটির সদস্য হারুন উর রশিদ, রোকসানা খন্দকার, এএইচ এম নোমান উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, বাংলামেইল২৪ডটকম

Advertisements