দুবাইয়ের বুর্জ আল খালিফা পৃথিবীর সব থেকে উচ্চতম ভবন। সেই আকাশ ছোঁয়া ভবন চূড়ায় ঝড়ের সময় আলোর ঝলকানি দেখে নিশ্চয়ই চমকে উঠেছে বিশ্ববাসী। কিন্তু এমন একটি অন্ধকারাচ্ছন্ন ঝড়ের মুহূর্তে বিশ্বের সব থেকে উচ্চতম ভবন চূড়ার দৃশ্য কেমন হতে পারে?

একদিকে গগণবিদারী গর্জন আর তার সাথে আলো-আঁধারির মায়াবি খেলা। গত সপ্তাহে প্রবল ঝড়ের সময় ঠিক এমনই একটি বিরল মুহূর্ত তুলে আনতে কঠিন অপেক্ষায় ছিলেন চিত্রগ্রাহক মাইকেল শেনব্লাম।

শেনব্লাম ব্রায়ান হকিন্সের ক্যামেরা নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন এমন একটা দৃশ্যের। কিন্তু কিছুতেই সেটা হচ্ছিল না। দেড় ঘণ্টার অপেক্ষায় অসম্ভব ধৈর্য্যের পর অবশেষে তিনি বিশ্ববাসীকে উপহার দিলেন অন্যতম সেরা ছবি। ঠিক এমনি একটি দুর্লভ মুহূর্তে ফ্রেমবন্দি হওয়ার পর নৈস্বর্গিক সৌন্দর্য উপহার পেল বিশ্ববাসী।

১২ ফেব্রুয়ারির রাতে দুবাইয়ের বে এরিয়াতে কালো মেঘে ছেয়ে যায়। এ সময় প্রবল ঝড় বৃষ্টি ধেয়ে আসে। চারিদিকে আলোর শিরা উপশিরা জড়িয়ে ধরে বুর্জ আল খালিফার ভবন চূড়াকে। তিনি নিজেও স্তম্ভিত হয়ে পড়েন তার ক্যামারায় এমন ছবি দেখে।

শেনব্লাম জানান, “অঝোর ঝড়ে বৃষ্টি হওয়ার জন্য ৪ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছিলেন।”

হাতে ক্যাননের 5D Mark III DSLR ক্যামেরা। সময় কাটানোর জন্য আশপাশের বৃষ্টি ভেজা শহরের ছবি তুলছেন। কিন্তু আচমকা এমন বজ্র বিদ্যুতের ঝলকানি সারা আকাশকে ছেয়ে ফেলবে আর বুর্জ আল খালিফার শিখরে বিদ্যুৎ ছটা ঠিকরে বেরুবে, স্বপ্নেও ভাবতে পারেন নি।

এই স্বপ্নের ছবি এখন বিশ্বে সাড়া ফেলে দিয়েছে। শেনব্লাম বলেন, “এই ছবিটি শতভাগ সত্যি। এতে কোনোরকম সম্পাদনা করা হয়নি। এমনকি কোনো সফটওয়ারের সাহায্যে কৃত্রিমভাবে এর কোনোরকম কারুকার্যও বৃদ্ধি করা হয়নি।”

উৎসঃ   পরিবর্তন
Advertisements