minister-300x217ইবলিশ বা আজাজিল কখনো সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার বা চ্যালেঞ্জ করেনি; তার মত এতো বেশী কেউ এবাদতও করেনি। সে শুধু আদম সন্তানদের বিপথে নিয়ে সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আর তাদের ভেতরে কোন্দল লাগিয়ে তাদের দিয়েই তাদের ধ্বংস করছে। বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধেও তেমন অভিযোগ রয়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের লোকেরা রাজনৈতিক হোক আর প্রশাসনিক হোক তারা আল্লাহর নামে মানুষকে এবং মানুষের সম্পদকে করবানি দিয়ে নিজেরা লাভবান হয়ার বিষয়ে উদারহস্ত। তেমনি একজন সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও তার হিন্দু এপিএস।

সাবেক কাগজে কলমে বৈধ শেখ হাসিনার সরকারের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ছিলেন এডভোকেট শাহজাহান মিয়া।  অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া ও তার হিন্দু এপিএস শৌম্যেন্দ্র চন্দ্র শৈলেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। রাজধানীর দুদক কার্যালয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশের ইতিহাসে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর প্রথম  হিন্দু এপিএস এই শৈলেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এই শৈলেনকে দিয়ে সরকার হজ্বে যাওয়া মুসলমানদের সাথে প্রতারনা চালায়, অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এমনকি এই আমলেই হজ্ব কালিন সময়ে কোন ফেরত হাজী সাথে জমজমের পানি সাথে আনতে সরকার করত্রিক বাধাগ্রস্থ হন। আওয়ামী লিগের লকজনকে জমজমের পানি সরবরাহের নামে টাকা কামাই করার সুযোগ দিতে সরকার ও মন্ত্রী এই ব্যবস্থা করে আর নেপথ্যে থাকে এই এপিএস। এই এপিএসের বিরুদ্ধে এখন কোটি কোটি টাকা ভারতে পাচারের অভিযোগ এনেছে স্বয়ং দুদক।

দুদকের উপ-পরিচালক আহসান আলী তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।  জ্ঞাত আয়-বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে শৈলেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়াকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হবে বলে জানা গেছে। প্রায় ৫০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে এপিএস শৈলেনের বিরুদ্ধে। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আর বেশি যা পরবর্তীতে অভিযোগ আকারে আসতে পারে যদি রয়্যাল পরিবারকে ম্যানেজ করতে না পারেন।

মন্ত্রীর এই হিন্দু এপিএস পটুয়াখালিতে পাঁচতলা বাড়ি বানিয়েছে খরিদ করেছে রাজধানীতে একাধিক ফ্ল্যাট। তার ব্যক্তিগত গাড়িও রয়েছে। ৫০৪টি হজ এজেন্সির কাছ থেকে হিন্দু হয়েও কোটি টাকা অবৈধভাবে আদায় করেছে এই এপিএস। যদিও সবাই মনে করে  এতে মন্ত্রীর যোগসাজশ রয়েছে এবং রয়েছে আর উপর মহলের সবুজ সংকেত।

সূত্র: শেখনিউজ

Advertisements