দেরিতে হলেও শেকড়ের সন্ধানে নেমেছে বিএনপি। শেকড়কে মজবুত করতে চায় দলটি। তৃণমূলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার মধ্যদিয়েই আবার মাঠে নামার কৌশল গ্রহণ করেছে। কথায় কথায় আওয়ামী লীগ ‘বিএনপির জন্ম ক্যান্টনমেন্টে’ বলে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করলেও দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শেকড়ের রাজনীতি করেছেন। গ্রাম বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতি ছিল তার টান। উন্নয়ন এবং রাজনীতিতে শহরের চেয়ে গ্রামকে প্রাধান্য দিয়েছেন। দলের ১৯ দফা কর্মসূচিতে গ্রামবাংলার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, খাল কাটা-রাস্তার দু’ধারে গাছ লাগানো কর্মসূচি এবং কৃষিবিপ্লব ছিল তাঁর শেকড়ের রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। পরবর্তীতে নগর কেন্দ্রিক রাজনীতি চর্চার সংস্কৃতিতে সুবিধাবাদী ও অতি সুবিধাবাদীরা দলে বেশি গুরুত্ব পাওয়ায় শেকড়ের রাজনীতি হয়ে পড়ে উপেক্ষিত। অন্যান্য দলগুলোর মতো রাজধানীর সুবিধাবাদী, অর্থলিপ্সু এবং ভোগবাদী কিছু নেতার কূটচালে বিএনপি কিছুটা হলেও নগর কেন্দ্রিক হয়ে উঠে। তবে সম্প্রতি নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবির ইস্যুর আন্দোলনে অবহেলিত বঞ্চিত তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে নেমে জানান দিয়েছে তারাই জাতীয়তাবাদী দলটির আসল প্রাণ। অথচ আন্দোলনের সময় রাজধানী তথা নগরের সুবিধাভোগী নেতাদের অধিকাংশই ‘চাচা আপন জীবন বাঁচাও’ কৌশল গ্রহণ করায় কার্যত মাঠে মারা যায় কর্মসূচি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবির আন্দোলনের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থন থাকার পরও রাজধানীতে ঢেউ আছড়ে না পড়ায় সেটা সফলতার মুখ দেখেনি। ঢাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু সুবিধাবাদী নেতাদের কেউ বিদেশে আত্মগোপনের নামে বিলাসবহুল জীবন যাপন করে; আবার কেউ সরকারী দলের নেতাদের সঙ্গে সমঝোতা করে নিজেদের গ্রেফতার এড়ানোর কৌশল গ্রহণ করায় কর্মসুচিকে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া যায় নি।
৫ জানুয়ারী নির্বাচনের আগে হরতাল অবরোধ কর্মসূচিগুলোতে তৃণমূলের নেতারা ছিলেন সক্রিয়। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রুপসা থেকে পাথুরিয়া সর্বত্র তারা আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। তাদের আন্দোলনের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন দিয়ে অংশ গ্রহণ করেছে সাধারণ মানুষ। গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, ক্ষেতমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর পেশাজীবীরাও পথে নেমে এসেছিল। এমনকি ২৯ ডিসেম্বর ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ কর্মসুচিতে অংশ নিতে সরকারের বাধা বিপত্তি পেরিয়ে গাড়ী, রিক্সা, পায়ে হেঁটে বিভিন্ন ভাবে তৃণমূলের হাজার হাজার নেতাকর্মী রাজধানীতে উপস্থিত হন। প্রতিকূলতার মধ্যে তারা রিক্সার গ্যারেজ, পরিচিত বিভিন্ন জনের বাসাবাড়ি, মেসবাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করেন। রাজধানী ঢাকার দায়িত্বশীল ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও তারা কারো দিক নির্দেশনা পাননি। ঢাকায় কয়েকদিন পালিয়ে থেকে তারা নিজ নিজ জেলায় ফিরে যান। যোগাযোগ বন্ধের মধ্যে নানাভাবে কৌশল করে গাইবান্ধা থেকে ঢাকায় এেেসছিলেন এমন এক নেতা জানান, তিনি সিএনজি গ্যারেজে তিন দিন তিন রাত কাটিয়েছেন। ঢাকা মহানগরের নেতাসহ পরিচিত যেসব নেতা ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন তাদের সবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কাউকে পাননি এবং কি করবেন সেটাও বুঝতে পারেননি। হাতের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় অন্যের কাছে ধার করে বাড়ি ফিরে গেছেন। গ্রাম থেকে ঢাকায় আসা নেতাকর্মীরা চিড়ামুড়ি খেয়ে রাত কাটিয়েছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে। আরেকজন নেতা জানালেন, তার পরিচিত নেতাদের কেউ কেউ গ্রেফতার এড়াতে দেশের বাইরে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফোন করে আন্দোলনের খোঁজখবর নেন। সম্প্রতি বিএনপির ঢাকা মহানগর কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সালাম একটি অনলাইনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ব্যর্থতার জন্য যদি পদ ছেড়ে দিতে হয় তাহলে অবশ্যই দেব। কয়েকদিন আগে প্রেসক্লাবে একটি আলোচনা সভায় খায়রুল কবির খোকনকে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের সামনে পড়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়েছিল। অবশ্য তিনি জানিয়েছেন এ সময় নরসিংদীতে আন্দোলন করেছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় পদে রয়েছেন এমন এক নেতা (প্রচুর বিত্তবৈভবের মালিক। যখন তখন বিদেশ যান। শোনা যায় বিদেশেও তার বাড়ি রয়েছে) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজধানীতে বিএনপি মহাসমাবেশ বা বড় ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করলে সরকারের পক্ষ থেকে অঘোষিত অবরোধ দেওয়া হয়। কর্মসূচির নির্ধারিত তারিখের দুই-একদিন আগেই সড়ক ও নৌ-পথে পরিবহন বন্ধ রাখা হয়। আবাসিক হোটেল থেকে লোকজনকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। এমনকি মেস বাড়ি থেকে ব্যাচেলরদের বের করে দেয় পুলিশ মাইকিং করে। কর্মসূচির একদিন আগেই অঘোষিত কার্ফুর অবস্থায় পরিণত হয় রাজধানী। সর্বশেষ ২৯ ডিসেম্বর ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’ সমাবেশ করার ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ ডিসেম্বর। এরপর থেকেই সরকার ক্রমান্বয়ে সারাদেশ থেকে রাজধানীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ২৭ ডিসেম্বর রাত থেকে সারাদেশ হতে ঢাকা ছিল পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। কর্মসূচির দিন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তার বাসা থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। তার বাসার সামনে বালি ভর্তি ট্রাক ফেলে রেখে বাধার সৃষ্টি করা হয়। এরপর থেকে বেগম জিয়াকে প্রায় দু’সপ্তাহ বাসায় অবরুদ্ধ থাকেন। দেশের ইতিহাসে কোনো সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কর্মকা- একেবারেই নতুন। পুলিশ মিছিল দেখলেই গুলি করে। কে গুলি খেয়ে মরতে চায়? সমালোচনা করলেই হবে না। বাস্তবতা বুঝতে হবে। সুবিধাবাদী নেতারা ব্যর্থতা আড়াল করতে এধরনের যুক্তি তুলে ধরলেও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এ যুক্তি মানতে নারাজ। তিনি কেন্দ্র থেকে শুরু করে শেকড় পর্যায় পর্যন্ত দলকে সুসংগঠিত করে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে।
সূত্র জানায়, তারেক রহমানের তৃণমূল সংলাপের পর গত কয়েক বছর জেলা উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের যোগাযোগ জোরালো ছিল না। কেন্দ্র থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে তা তৃণমূল পর্যায়ে পালন করা হতো। গত কয়েক মাসের আন্দোলনে ঢাকার নেতারা সুবিধা করতে না পারলেও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। রাজধানীর নেতারা দলীয় পদ পদবীর জন্য গ্রুপিং লবিং মারামারি করলেও দায়িত্ব পালনের চেয়ে ভোগবিলাস, প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসা, আয় রোজগার নিয়ে বেশি ব্যস্ত। এদের কেউ ব্যক্তিস্বার্থে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সমঝোতা করেন; কেউ আন্দোলন শুরু হলে অসুস্থতার ভান করে চিকিৎসার নামে বিদেশ চলে যান। সুবিধাবাদী এই নেতাদের কেউ কেউ এখন আত্মসমালোচনা করে মত দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব মেনে নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারে সমান সংখ্যক মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করে বিএনপির নির্বাচনে যাওয়া উচিত ছিল। অথচ বিশিষ্টজন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে বেগম খালেদা জিয়া এ অবস্থায় নির্বাচনে গেলে তার অবস্থা রওশন এরশাদের মতো হতো। নির্বাচনে না নিয়ে বেগম জিয়া রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। এখন দেশবাসীই শুধু নয় গোটা বিশ্ব তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী হিসেবে বিশ্বের মিডিয়ায় তিনি গুরুত্বপুর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়ে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে না গিয়ে ভাল করেছেন জানিয়ে বলেছেন, জনগণ ভোট দিতে যায়নি এটাই ১৯ দলের সফলতা।
যাদের কারণে ঢাকায় আন্দোলন গড়ে তোলা যায়নি বিএনপির সেই সুবিধাবাদী ধুরন্ধর নেতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মার্চ এপ্রিলে দলের কাউন্সিলে এসব নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হতে পারে বলে সূত্রের দাবি। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখন তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরো শক্তিশালী করার দিকে ঝুকেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সে জন্য নির্বাচনে যাতে একক প্রার্থী দিয়ে ১৯ দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী প্রচারণায় নামে সে জন্য কেন্দ্র থেকে নির্দেশনা জানিয়ে চিঠিও দেয়া হয়েছে। তিন মাস পর অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ের ভোটের পর আগামী কাউন্সিলে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে কর্মরত দলের নিবেদিতপ্রাণ ও যোগ্য নেতাদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আনা হতে পারে। বিএনপির স্থানীয় কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মাহবুবুর রহমান বলেছেন, দল গোছানো হচ্ছে। তারপর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে বের হয়ে ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াও একই কথা বলেছেন। এখন দলের প্রায় সব সিনিয়র নেতার মুখে এই সুর শোনা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত দিনগুলোতে তৃণমূল পর্যায়কে গুরুত্ব না দিয়ে রাজধানীর নেতাদের প্রতি বেশি নির্ভরশীল হওয়ায় বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। দীর্ঘদিন জেলা উপজেলা পর্যায়ে কমিটিগুলো পুনর্গঠন না করা এবং অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন থাকায় তৃণমূল পর্যায়ে দল হিসেবে বিএনপি শক্তিশালী হতে পারেনি। স্রোতহীন পুকুরে যেমন শ্যাওলা পড়ে তেমনি বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্বে শ্যাওলা পড়ে গেছে। তারপরও তৃণমূল তথা জেলা উপজেলা ও পৌরসভার কমিটিগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাকর্মীরা বিগত আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশ গ্রহণ করায় সাধারণ মানুষও সে কর্মসূচিতে সমর্থন জানিয়েছেন। অথচ প্রতিদিন পরিচর্যা করা ঢাকা মহানগরীর নেতাকর্মীরা কর্মসুচি পালনের বদলে ‘গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে থেকে’ দলকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে। দলীয় প্রধান এ বাস্তবতা বুঝেই তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেন। ৫ সিটি কর্পোরেশনের মতো উপজেলা নির্বাচনে ফলাফল করতে সমর্থিত প্রার্থীদের সব ধরনের সহায়তা দেয়ার জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এদিকে ১৯ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তিনি সরকারকে কিছুটা সময় দিয়েছেন। তবে তিনি এটাও বলেছেন আমরা সংলাপের জন্য অনন্তকাল অপেক্ষা করবো না। এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহফুজ উল্লাহ বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র বনাম অগণতন্ত্রের লড়াই হচ্ছে। এ অবস্থায় বিএনপি দল সাজানোর দিকে মন দিয়েছে। বিএনপিকে বুঝতে হবে ছাত্র দিয়ে ছাত্রদল এবং যুবক দিয়ে যুবদলের নেতৃত্ব সৃষ্টি করা উচিত। ছাত্র আর যুবকের বাবাদের ছাত্রদল ও যুবদলের নেতৃত্বে বসালে কি পরিণতি হয় তা বিএনপি বুঝতে পেরেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক বলেন, ভবিষ্যতে জাতি গঠনে, জনগণের সমস্যা সমাধানে ১৯ দল কর্মসুচি দেবে এটাই চাই। তাহলে হয়তো আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে। বিশেষজ্ঞরা যাই বলুক; বিএনপির দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান যেমন উন্নয়নে গ্রাম-ইউনিয়ন-থানা-জেলা পর্যায়কে বেশি গুরুত্ব দিতেন বেগম খালেদা জিয়াও এবার গ্রামকে প্রাধান্য দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শেকড় যত মজবুত হবে দলের শক্তি তত বাড়বে।
উৎসঃ   ইনকিলাব
Advertisements