মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে মুসলমান ও খৃষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই বিরোধ গেলে আছে। এ বিরোধের জেরে মাঝে মধ্যেই খুনোখুনির ঘটনা ঘটছে। এরই মধ্যেই সৃষ্ট দাঙ্গায় বহু মানুষ নিহত হয়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয়।

গত দুই সপ্তাহ আগে দেশটিতে নতুন করে অন্তর্বতীকালীন সরকার হিসেবে শপথ নিয়েছেন ক্যাথেরিন সাম্বা-পাঞ্জা। তিনি দেশটিতে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যাপক চেষ্টা চালাচ্ছেন।এ কেমন বর্বরতা!

গতকাল বুধবার দেশটির রাজধানী বাংগুইতে তিনি সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন।
এই বৈঠকের ঠিক ১০ মিনিট পর ওই স্থান থেকে মাত্র ২০ গজ দূরে এক মর্মান্তিক হত্যাকা- ঘটে। আর এতে নেতৃত্ব দেন খোদ সেনাবাহিনীর কতিপয় সদস্য। জানা যায়, সেনাবাহিনীর সদস্যরা রাজধানী থেকে উৎখাত হওয়া মুসলিম সমর্থিত সেলেকো বিদ্রোহীদের সদস্য হিসাবে চিহিৃত করে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তাদের অভিযোগ সেলেকা বিদ্রোহীরা আবার তাদের তৎপরতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। সে তাদের হয়ে কাজ করছে।
শুধু তাই নয়, দলবদ্ধভাবে ছেলেটিকে রাস্তায় ফেলে কিল ঘুষি মারা, লাঠি পেটা করা, দঁড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে হিচড়ে বহু দূরে নিয়ে যাওয়া এবং ফ্লাইং কিক থেকে শুরু করে লাথি মারা সব ধরণের নির্যাতনই চলে।
শেষ পর্যন্ত একের পর এক ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। এই দৃশ্য ধারণ করার জন্য অনেকে আবার ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পরে। মারা যাওয়ার পর অনেককে আবার লাশের উপর লাফাতে দেখা যায়।

উৎসঃ   ঢাকাটাইমস
Advertisements